Sunday, February 22, 2026

কবিতা- পাখির আর্তনাদ (১৪)

            পাখির আর্তনাদ

 আগের মত পাখপাখালী দেখতে কি আর পাও?
তাদের দেখতে না পেয়ে আজ অবাক কেন হও?
মানুষই ওদের বিলুপ্তের কারণ বিশ্বাস কি না হয়?
চলো আজকে দুটো কথা বলেই না হয়ে যায়।
নগরায়ন করতে গিয়ে উজাড় করলে বন,
নিজের হাতেই ধ্বংস করলে পাখির বাসস্থান।
অধিক ফলনের আশায় ফসলে দিলে কীটনাশক, 
মানুষই কি নয় তবে তাদের নিরব মৃত্যুর ঘোষক?
ফসলে পোকা দেখলেই সার ঢালছো সাথে সাথে-
পাখির খাদ্যাভাব দেখাই তো দিয়েছে তাতে।
তাদের নিয়ে চোরাচালান চলছে বিরামহীন,
তাইতো পাখির সংখ্যা কমছে নিশিদিন।
নিজের স্বার্থে টাওয়ার করছো শহরের প্রতি কোণে,
পাখিদের আজ বিলুপ্তি ঘটছে তারই বিকিরনে।
সকালে উঠে পাখির গান শোনা যায় না আজ,
তাদের সাথেই বিলুপ্ত হচ্ছে প্রকৃতির সাজ।

Tuesday, December 9, 2025

কবিতা- চিরন্তন ৭১ -(১৩)

       চিরন্তন ৭১

           মো: রাকিব মোড়ল

এমনি করে একাত্তর ভুলে যদি  যাবে....
তবে তো এ বাংলার  ভীত-ই না রবে।
লাখো শহীদের রক্ত বৃথা নাহি যাবে -
আমার বাংলা সদা বাংলা-ই রবে
তবে তারা একাত্তর ভুলে যদি যাবে-
ভবিষ্যৎ  প্রজন্মকে  কি জবাব দেবে?
যতবারই শত্রুর ছায়া দেখা দেবে-
ততবারই এদেশে মুক্তিযুদ্ধ হবে ।
ওই মানুষ আর মানুষ হবে কবে?
একাত্তরকে যে চেতনা ব্যবসা ভাবে।
এত শহীদ রক্ত কেনবা দিল তবে?
বাঙালি যদি আজও বোকা হয়ে রবে!
নাহয় একাত্তর আরেকবার হবে,
তবুও বাঙালি স্বাধীন হয়ে-ই রবে। 

Friday, April 25, 2025

কবিতা- দম্ভের আফসোস -(১২)

 দম্ভের আফসোস

মোঃ রাকিব মোড়ল 

দম্ভ তোমার যাতই থাকুক -

ফিরতে তোমাকে হবেই। 

তোমার ফেরার তারিখ তো ভাই ঠিক হয়েছে কবেই। 

অন্যের হক মারিয়া তুমি গড়িয়াছো  তাজমহল-

হাশরের দিন এই ভার তোমায় করতেই হবে বহন। 

চাইবে তুমি  ফিরতে  সেদিন বিলাতে সবকিছু, 

তবে মৃত্যু আসিয়া গেলে যে আর ফেরা যায়না পিছু। 

যাহা তোমার ছিল এথাই, সবই পড়ে রবে-

সময়ের ব্যবধানে সেদিন শুধু তুমিই হারিয়ে যাবে।

যাদের জন্য দুনিয়া গড়তে তুমি স্রষ্টাকে রাখনি বুকে,

তাদের মধ্যে অনেকেই সেদিন ভয়ে তোমার নাম নেবে না মুখে। 

যে দম্ভ নিয়ে তুমি মাটির উপর করিয়াছো  বিচরণ। 

সেদিন ওই মাটিই তোমায় ফিরিয়ে দেবে তোমার অনুরূপ আচরণ। 

দম্ভ তোমার যতই থাকুক ফিরতে তোমাকে হবেই-

সব দম্ভ তোমার বিলীন হবে কেবল আমার রবে'ই(আল্লাহ তে)।

সনেট- নারী কেনো ধন্য -(১১)

সনেট- নারী কেনো ধন্য 

মোঃ রাকিব মোড়ল

আমি ধরিয়া রাখিতে পারিনি তাহাকে... 

তাহাতে আমার নাইকো কিঞ্চিত দোষ!

আ হা -সে, যে প্রোলাপ-ই বলুক না কেনো,,,

 এ সবই ছিলো তাহার মিথ্যে আক্রোস।

নিজ স্বার্থের লাগি গিয়েছিল সে চটে-

 সেই ভুলে সে আশিক হারাইলো বটে। 

মাঝে মধ্যে মোর টানক নড়িতো তবে...

ভাব প্রকাশে তব বিরক্তি কেন ঘটে...? 

ও.... তাহলে কি সে নারাজ হইল তবে? 

তাহা হইলে বাধন সৃষ্টি কেন হবে...? 

আহা আমি কিঞ্চিত ধরিতা যদি খুত,

নিমিষেই আচরণ করিতা অদ্ভুত!

 তবে আমার ক্ষেত্রে বিচার কেন অন্য?

 এ..কারন বসতই নারী তুমি ধন্য।

কবিতা- কলি যুগের কালো রুপ -(১০)

কলি যুগের কালো রুপ

মোঃ রাকিব মোড়ল

মোরা শেষ করেছি জীবন...

 সেই সমাজের চালিকা এখন-মহা সাধু রুপি রাবণ।

আইনের বইয়ে লেখা আছে যা তা কেবল দেখা যায়-

অর্থের জোরে মিথ্যা আইন পুনরায় লেখা হয়।

এই মিথ্যার আঁধারে এখন সত্যকে খোঁজা দায়। 

ধৈন্যের ফলে যোগ্যরা এখন ফুটপাতে পড়ে রয়-

নিজের দোষ গোপন রেখে এখন চোরও বিচারক হয়!

তিক্ত হলেও সত্য বটে এটা কেবল কলিযুগেই দেখা যায়। দুঃসময়ে যে সব কর্মী পরিশ্রমী তৈরী হয়, 

সু-সময়ে তাদের ফেলে নেতারা তৌল-মর্তন কারী চাই।

শত চেষ্টা করিলেও কি বিধাতার লিখন খনভানো যায়?

 কলি যুগেতে অযোগ্যরা সমাজের মাথা হবেরে ভাই।

কবিতা- পড়ন্ত বিকেল -(০৯)

পড়ন্ত বিকেল  

মোঃ রাকিব মোড়ল

পড়ন্ত বিকেলে, বসে আছি একা।

বহুদিন তোমার সাথে হয়নিকো, দেখা।

না জানি কোথায় আজ গেছো তুমি চলে।

 একটি বার তো দেখতে আমায় বলে।

তোমার জন্য সোনার খাচা দিতাম আমি খুলে।

 এমনি করে কেন তুমি গেলে আমায় ভুলে?

আমি তো বাঁধা ছিলাম তোমার স্মৃতিচোলে।, 

আবার হয়তো, কোনো একদিন তোমার সাথে হয়ে যাবে দেখা। আমার মতো তুমিও সেদিন হয়ে যাবে একা।

আমিও না হয় হাসবো সেদিন নজরটা না হয় করবো একটু বাঁকা। 

আজ এই পড়ন্ত বিকেলে আমি ভিষণ একা।

কবিতা- ভুল -(০৮)

ভুল 

মোঃ রাকিব মোড়ল

চিরকাল তো শুধু ছিলো আমারই ভুল, 

কিন্তু আজো আমি খুঁজে পাইনি তাহার মূল।

কখনো তো খারাপ চাইনি আপনজনের,

 তাই হয়তো আজ এই দশা নিজ মনের?

আসলেই হয়তো ছিল কোন ভুল?

তাই-

জীবন্ত গাছে আজ ফোটে আজ শুকনো ফুল!

সর্বদা নিজের চেয়ে আপন জনকে দিয়েছি মূল্য,

 তাই তো আজ আমি আবর্জনার তূল্য।

চিরকাল তো শুধু ছিল আমারই ভুল, 

কিন্তু আমি আজো খুঁজে পাইনি তাহার মূল।

কবিতা- সত্য -(০৭)

 সত্য

মোঃরাকিব মোড়ল

সত্যের পথে লড়বো মোরা সর্বদা হয়ে বলিয়ান।

শক্তি যাহা লাগবে তাতে দিবেন স্রষ্টা চির মহান।

 সত্যের পথে চলতে গিয়ে বাঁধা আসবে শত।

 লাঞ্ছিত যে করবে সবাই হতে যে হবে আহত।

 সত্যের পথে চলবো মোরা করবো না মন্দকে ডর-

ন্যায় যে প্রকাশ পায় যে সদা সত্যের উপর করে ভর।

সত্য ছাড়া স্রষ্টার কাছে নাই যে কোন স্থান,

 সত্যের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে তোমার অবস্থান।

সৎকর্ম করিতে না পারিলেও করিও না মন্দ কর্ম, 

কারণ এমত কর্মকে কভু সায় দেয় নি তোমার ধর্ম।

সত্য একদা প্রতিষ্ঠা হবে সেদিন নয়কো দূরে। 

মিথ্যা সেদিন পালাবার পথ পাবে না পিছু ঘুরে।


কবিতা- বীর বাঙালির প্রতিদান -(০৬)

বীর বাঙালির প্রতিদান

মোঃ রাকিব মোড়ল

বাঙালি আজ নামে মোরা,

 একদা ছিলাম বিশ্ব বোঝা।

রক্ত দিয়ে অজরধারা-

আজকে মোরা বিশ্ব সেরা।

বাঙালি জাতী অলস যারা,

 মনে রেখো এই চরণ খানা,

 রক্ত দিলো যারা সাগর সমান,

 ভুলবো না তাদের প্রতিদান।

কবিতা- রব -(০৫)

রব 

মোঃ রাকিব মোড়ল

যিনি তোমার রব, 

তার নাম করো যপ।

ভুলোনা তার কথা,

 পাবে তবে ব্যথা!

যাহা মোরা পাই-

কিছুই মোদের নয়।

সবই দিয়েছেন তিনি,

 সবই লইবেন তিনি।

 যতই তুমি চাইবে-

ততই তুমি পাইবে!

শুধু করো ধৈর্য ধারণ,

 কারণ এমনই ব্যক্তি প্রভুর প্রিয়জন।

কবিতা- বাংলার মানচিত্র -(০৪)

বাংলার মানচিত্র 

মোঃ রাকিব মোড়ল

আবার জানি কোথায় এলাম ফিরে?..

এ যেন বাংলার মানচিত্রে।

এই বাংলার মানচিত্র-

 সে যে সকল বাঙালির মিত্র। 

গোটা বিশ্ব তেপান্তরে, 

এক টুকরো লাল-সবুজের ক্ষেত্র। 

সে যে বাংলার মানচিত্র।

কবিতা- তরুন মুক্তিসেনা -(০৩)

তরুণ মুক্তিসেনা

মোঃ রাকিব মোড়ল

ওহে তরুণ মুক্তি সেনার দলের.., 

তোমরা কি তবে....

 ছাড়লে দেশের হাল?..

আমার জননীর চোখে-

আজ আবার কেনো জল?!

তোরা অস্ত্র হাতে,,,, 

আবার এগিয়ে চল।

মোছাতে আমার জননীর-

চোখের জল।

জননীর ডাকে সাড়া দে তোরা,

 নবীন স্বদেশ গড়বো মোরা।

কবিতা- পিতা -(০২)

পিতা 

মোঃ রাকিব মোড়ল

শিশু অন্তর করি উপুড়, 

বলে পিতা তুমি নহে বহুদূর।

পিতার মন বোঝা-

নহে কিঞ্চিৎ সোজা।

 এ জীবনে পিতার অবদান, 

যায় যাবে বোঝা, 

তবে তার এ জগতে যায় নাকো খোজা! 

যিনি তোমার জন্য পারেন হারতে, 

তার কাছে যায় না কোভু জেতা।

 তিনিই হলেন তোমার পিতা।

Thursday, April 24, 2025

কবিতা- আমার জননী (-০১)

আমার জননী

মোঃ রাকিব মোড়ল

নেই কোনো কথা,

            আছে কেবল ব্যথা!

থেকে যাবে চিরকাল।

              আমার মনের কথা-

আমার মনের ব্যথা, 

              কভু বোঝেনিকো কেহ-

বুঝিয়াছে কেবল একজন, 

          নারী সেইজন।

মোর মনে কয়...

               নারী নন তিনি,

মহিষী তিনি। 

বুঝিয়াছেন কি কেহ কে সেই জন? 

অন্য কেউ নহে, 

            মোর জননী সেই জন।